সকালের প্রথম প্রহর থেকেই মাদ্রাসার ছোট ছোট শিশুদের হাসিমুখ, উচ্ছ্বাস আর আনন্দে পুরো মাঠ মুখরিত হয়ে ওঠে। রাণীনগর ইয়ুথ অর্গানাইজেশনের তরুণ সদস্যরা শিশুদের নিয়ে দৌড় প্রতিযোগিতা, বল খেলাসহ বিভিন্ন মজার কার্যক্রম পরিচালনা করেন। বাচ্চাদের চোখেমুখে ছিল আগ্রহ, উৎসাহ এবং অংশগ্রহণের আনন্দ।
খেলা শেষে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী প্রতিটি শিশুকে পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কার পেয়ে আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে বাচ্চাদের হাসিমুখ ক্যাম্পের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। এ সময় সহ-সভাপতি মোঃ সারোয়ার জাহান তৌফিক বলেন -
“এই বাচ্চারাই আমাদের ভবিষ্যৎ। তাদের মুখে হাসি দেখতে পারাই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন। আমরা সবসময় সমাজের জন্য, বিশেষত শিশুদের জন্য কাজ করে যেতে চাই।
শুধুমাত্র বিনোদনেই সীমাবদ্ধ না থেকে, রাণীনগর ইয়ুথ অর্গানাইজেশন দুপুরে শিশুদের জন্য বিশেষ খাবারের আয়োজন করে। মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সংগঠনের এই মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন - “আজকের এই আয়োজন আমাদের শিশুদের জন্য এক স্মরণীয় দিন। তারা যেমন আনন্দ করেছে, তেমন ভালোবাসাও পেয়েছে।”
এদিন সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন রাণীনগর ইয়ুথ অর্গানাইজেশনের নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবকরা। তাদের আন্তরিকতা, ব্যস্ততা এবং শিশুদের প্রতি যত্ন দেখে উপস্থিত সবার মন জয় করে নেয়।
মাদ্রাসার মাঠজুড়ে শিশুদের হাসি, আনন্দের চিৎকার আর খেলাধুলার উচ্ছ্বাস শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, এ ছিল সমাজে মানবিকতার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার এক উজ্জ্বল প্রমাণ।
রাণীনগর ইয়ুথ অর্গানাইজেশন ভবিষ্যতেও শিশুদের নিয়ে আরও বিভিন্ন মানবিক কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে।
আব্দুল্লাহ আল মাহীদ